Hi

০২:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
লক্ষ্মী-কথন

রায়পুরে আ.লীগ–বিএনপি নেতার ১৩টি ড্রেজারে অবৈধ বালু উত্তোলন

রায়পুরে আ.লীগ–বিএনপি নেতার ১৩টি ড্রেজারে অবৈধ বালু উত্তোলন

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার ২নং উত্তর চরবংশী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, পুরান বেড়ী থেকে চান্দার খাল পর্যন্ত অন্তত ১৩টি ড্রেজার মেশিন দিয়ে প্রতিদিন বালু তোলা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এসব ড্রেজার পরিচালনা করছেন প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিরা। এর মধ্যে বিএনপি নেতা মেহেদী কবিরাজ, শামীম গাজী, মোহাম্মদ আলী খান, এল এম সোহাগ এবং স্থানীয় আ.লীগ নেতা মিলন সর্দার ও শিমুল লস্করের নাম উঠে এসেছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সংবাদ মাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর প্রশাসনের ভয়ে কয়েকদিন কার্যক্রম বন্ধ থাকে। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই পুনরায় শুরু হয় বালু উত্তোলন। এতে নদী ও আশপাশের জমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

প্রতিবাদকারীদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসী প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন— যেন অবৈধ ড্রেজার বন্ধ করা হয় এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

অভিযুক্তরা অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তারা কোনো অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত নন। একটি মহল রাজনৈতিকভাবে তাদের সম্মান নষ্ট করতে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

একুরেট কুরআন টিচিং একাডেমির বাৎসরিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

সত্ত্বাধিকারী পাওয়ার লাইফ ব্যাটারি

লক্ষ্মী-কথন

রায়পুরে আ.লীগ–বিএনপি নেতার ১৩টি ড্রেজারে অবৈধ বালু উত্তোলন

আপডেট : ১১:৩৪:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫

রায়পুরে আ.লীগ–বিএনপি নেতার ১৩টি ড্রেজারে অবৈধ বালু উত্তোলন

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার ২নং উত্তর চরবংশী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, পুরান বেড়ী থেকে চান্দার খাল পর্যন্ত অন্তত ১৩টি ড্রেজার মেশিন দিয়ে প্রতিদিন বালু তোলা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এসব ড্রেজার পরিচালনা করছেন প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিরা। এর মধ্যে বিএনপি নেতা মেহেদী কবিরাজ, শামীম গাজী, মোহাম্মদ আলী খান, এল এম সোহাগ এবং স্থানীয় আ.লীগ নেতা মিলন সর্দার ও শিমুল লস্করের নাম উঠে এসেছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সংবাদ মাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর প্রশাসনের ভয়ে কয়েকদিন কার্যক্রম বন্ধ থাকে। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই পুনরায় শুরু হয় বালু উত্তোলন। এতে নদী ও আশপাশের জমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

প্রতিবাদকারীদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসী প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন— যেন অবৈধ ড্রেজার বন্ধ করা হয় এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

অভিযুক্তরা অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তারা কোনো অবৈধ বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত নন। একটি মহল রাজনৈতিকভাবে তাদের সম্মান নষ্ট করতে অপপ্রচার চালাচ্ছে।